শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
পারভেজ, বরিশাল প্রতিনিধিঃ করোনার মধ্যে জমে উঠেছে এশিয়ার বিখ্যাত ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পেয়ারার বাজার।আগের তুলনায় বর্তমানে পেয়ারা চাষীরা দামও পাচ্ছেন বেশি। সরেজমিনে প্রদক্ষিন করে দেখা যায়, ভীমরুলী আটঘর ও কুড়িয়ানা বাজারের মোকাম এবং ভাসমান নৌকার বাজারে মন প্রতি পেয়ারা ৫/৬ শত টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
আর খুচরা বাজারে মন প্রতি ৭/৮ শত।অথচ গত সপ্তাহে যার দর ছিলো ৩-৪শত। মহামারী করোনার প্রাদূর্ভাবে বাংলার আপেলখ্যাত পেয়ারার বাজারে ধ্বস নামায় চাষীরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ে।বাজার জমে উঠলেও পাইকার ও পর্যটকদের সমাগম বেশি নেই চোখে পড়ার মত।প্রতিদিন সকালে চাষীরা পেয়ারা সংগ্রহ করে ডিঙি নৌকায় সাজিয়ে বিক্রি করতে আসেন এই ভাসমান বাজারে। বর্তমানে পেয়ারার মৌসুম হওয়ায় হাট-বাজার এবং বাগান জুড়ে পাকা পেয়ারার মৌ-মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে পড়েছে চারপাশ।বর্তমানে চাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে পেয়ারার বাজার দর বেড়ে যাওয়ায়।
চারদিকে বেচাকেনায় বেশ ব্যস্ততার মধ্যেই দিন পার করছে বাজার সংশ্লিষ্ট লোকজনরা।ধুমিয়ে চলছে পেয়ারা বিক্রি।বাংলার আপেল খ্যাত পেয়ারা বিক্রি করে ৭-৮হাজার শ্রমজীবি মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে। ভীমরুলীর এই বাজার থেকে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় ট্রাক এবং ট্রলারে করে মানুষের জন্য পেয়ারা সরবরাহ করা হয়।তবে মৌসুম ভিত্তিক এই ফলটাকে যদি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যেতো তাহলে চাষীরা বেশ লাভবান হতে পারতেন বলে তারা মনে করেন।বিভিন্ন অঞ্চলে বরিশালের এই বিখ্যাত পেয়ারার কদর অত্যাধিক পরিমাণে।